গণতন্ত্র
হচ্ছে সেকিউলারিজম-এর
নিকৃষ্ট ফল এবং এর অবৈধ সন্তান,
কারণ সেকিউলারিজম
হচ্ছে একটি ভ্রান্ত মতবাদ যার
উদ্দেশ্য হচ্ছে শাসন-কতৃত্ব
থেকে ধর্মকে আলাদা করা।
গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণ
বা ত্বাগুতের শাসন; আল্লাহর
শাসন নয় কারণ
গণতন্ত্রে আল্লাহর আদেশ কোন
বিবেচ্য বিষয়ই নয়, যতক্ষণ
না তা তাদের সংবিধানের
সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়।
এভাবে অধিকাংশ জনগণ
যা চায়, অধিকন্তু — তার
থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এই
সমস্ত ত্বাগুতেরা যা চায়
তা তাদের সংবিধানের অংশ
হয়ে যায়।
হচ্ছে সেকিউলারিজম-এর
নিকৃষ্ট ফল এবং এর অবৈধ সন্তান,
কারণ সেকিউলারিজম
হচ্ছে একটি ভ্রান্ত মতবাদ যার
উদ্দেশ্য হচ্ছে শাসন-কতৃত্ব
থেকে ধর্মকে আলাদা করা।
গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণ
বা ত্বাগুতের শাসন; আল্লাহর
শাসন নয় কারণ
গণতন্ত্রে আল্লাহর আদেশ কোন
বিবেচ্য বিষয়ই নয়, যতক্ষণ
না তা তাদের সংবিধানের
সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়।
এভাবে অধিকাংশ জনগণ
যা চায়, অধিকন্তু — তার
থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এই
সমস্ত ত্বাগুতেরা যা চায়
তা তাদের সংবিধানের অংশ
হয়ে যায়।
“...
অতঃপর তোমাদের মধ্যে যদি কোন ব্যাপারে মতবৈষম্যের সৃষ্টি হয় তবে সেটি
আল্লাহ ও রাসূল (সা.)-এর দিকে ফিরিয়ে দাও, যদি তোমরা প্রকৃতই আল্লাহ্ ও
পরকালের প্রতি ঈমানদার হয়ে থাক। এটি সঠিক কর্মনীতি ও পরিণতির দিক দিয়ে এটিই
উত্তম।" [সূরা আন্-নিসা ৪; ৫৯]
কিন্তু গণতন্ত্র বলে , “যদি তোমাদের মাঝে কোন বিষয়ে মত বিরোধ দেখা দেয় তবে তা সংবিধান, সংসদ, রাষ্ট্রপ্রধান বা তাদের আইনের কাছে নিয়ে যাও।”
আল্লাহ বলেছেন, “অভিশাপ তোমাদের উপর এবং তাদের উপর যাদের তোমরা আল্লাহর পাশাপাশি ইবাদত কর। তারপরও কি তোমরা বুঝবে না?” [সূরা আম্বিয়া ২১ : ৬৭]
জনসাধারণ যদি আল্লাহর শরীয়ত গণতন্ত্রের মাধ্যমে বা ক্ষমতাসীন মুশরিকদের আইনসভার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তবে কখনও তারা তা করতে সক্ষম হবে না যদি ত্বাগুতেরা (রাজা, প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট) অনুমতি না দেয়, যদি তাদের সংবিধান অনুমোদন না দেয় - কারণ এটিই গণতন্ত্রের ‘পবিত্র’ গ্রন্থ। অথবা বলা যায় যে, এটা গণতন্ত্রের বাইবেল বা তাওরাত যা তারা নিজেদের খারাপ ইচ্ছা ও খেয়াল-খুশি দ্বারা কুলষিত করেছে।
তৃতীয়ত : গণতন্ত্র হচ্ছে সেকিউলারিজম-এর নিকৃষ্ট ফল এবং এর অবৈধ সন্তান, কারণ সেকিউলারিজম হচ্ছে একটি ভ্রান্ত মতবাদ যার উদ্দেশ্য হচ্ছে শাসন-কতৃত্ব থেকে ধর্মকে আলাদা করা। গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণ বা ত্বাগুতের শাসন; আল্লাহর শাসন নয় কারণ গণতন্ত্রে আল্লাহর আদেশ কোন বিবেচ্য বিষয়ই নয়, যতক্ষণ না তা তাদের সংবিধানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়। এভাবে অধিকাংশ জনগণ যা চায়, অধিকন্তু — তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এই সমস্ত ত্বাগুতেরা যা চায় তা তাদের সংবিধানের অংশ হয়ে যায়।
সুতরাং সমস্ত জনগণ যদি একসাথে হয়ে ত্বাগুতদের ও গণতন্ত্রের উপাস্যদের বলেঃ “আমরা আল্লাহর শাসন চাই,আমরা কোন মানুষকে, সাংসদদেরকে এবং শাসকদেরকে বিধানদাতা হতে দিব না। আমরা মুরতাদ, ব্যভিচারী, চোর,মদ্যপায়ীদের ক্ষেত্রে আল্লাহর শাস্তি জারি করতে চাই। আমরা মহিলাদেরকে হিজাব পরতে বাধ্য করতে চাই। আমরা পুরুষ ও মহিলাদেরকে তাদের সতীত্ব রক্ষা করতে বাধ্য করতে চাই। আমরা অনৈতিক অশ্লীলতা,ব্যভিচার, নীতি বহির্ভূত কাজ, সমকামিতা এবং এই ধরনের যত খারাপ কাজ আছে তা প্রতিরোধ করতে চাই”।
সে মুহূর্তে, তাদের উপাস্যরা বলবে : “এটা গণতান্ত্রিক জীবন ব্যবস্থার ও ‘ব্যক্তি স্বাধীনত’ নীতির বিরোধী!
সুতরাং গণতন্ত্রের স্বাধীনতা হচ্ছে : আল্লাহর মনোনীত দ্বীন ও বিধান থেকে মুক্ত হওয়া এবং তাঁর বেধে দেয়া সীমালংঙ্ঘন করা।
গণতন্ত্রে নৈতিক বিধানগুলো বিধিবদ্ধ করা হয় না এবং প্রত্যেকে যারা তাদের সাথে একমত হবে না অথবা তাদের দেয়া সীমা রেখা মানবে না, তাহলে তাদের শাস্তি দেয়া হবে।
একারণেই, গণতন্ত্র এমন একটা দ্বীন বা জীবন ব্যবস্থা যা আল্লাহর দেয়া জীবন ব্যবস্থা থেকে আলাদা। এটা হচ্ছে ত্বাগুতের শাসন, আল্লাহর শাসন নয়। এটা হচ্ছে অন্য উপাস্যদের আইন; আল্লাহর আইন নয়, যিনি একক এবং সকল কিছুর নিয়ন্ত্রক। যে কেউ গণতন্ত্রকে গ্রহণ করল, সে এমন আইনের শাসন মেনে নিলো যা মানব-রচিত সংবিধানের অনুসারে লেখা এবং সে সর্বশক্তিমান আল্লাহর দেয়া শাসন ব্যবস্থার চেয়ে ঐ শাসন ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিলো।
সুতরাং, কোন ব্যক্তি আইন প্রণয়ন করুক বা নাই করুক, বহুঈশ্বরবাদীয় নির্বাচনে জয়ী হোক বা নাই হোক, কেউ যদি মুশরিকদের সাথে গণতন্ত্রের নীতির বিষয়ে, আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে, বিচার ফয়সালা করার ক্ষেত্রে তাদের সাথে একমত হয় এবং আল্লাহর কিতাব, বিধান ও কর্তৃত্বের চেয়ে তাদের কিতাব, বিধান ও কর্তৃত্বকে বেশি গুরুত্ব দেয়, তাহলে সে নিজে একজন অবিশ্বাসী রূপে পরিগণিত হবে। একারণেই, গণতন্ত্র অবশ্যই একটি স্পষ্ট ভ্রান্ত পথ; একটি শিরকী ব্যবস্থা।
লেখকঃ আবু মুহাম্মদ আসিম আল মাকদিসী
বইঃ গণতন্ত্র একটি জীবন ব্যবস্থা (দ্বীন) !
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪৩
ফাইল সাইজঃ ১.২৬ মেগাবাইট মাত্র
বিস্তারিত পড়তে ডাউনলোড করুন,
http://www.mediafire.com/?1lh15lr4jgsy1p1
— with Masuma Tasnim and 3 others. কিন্তু গণতন্ত্র বলে , “যদি তোমাদের মাঝে কোন বিষয়ে মত বিরোধ দেখা দেয় তবে তা সংবিধান, সংসদ, রাষ্ট্রপ্রধান বা তাদের আইনের কাছে নিয়ে যাও।”
আল্লাহ বলেছেন, “অভিশাপ তোমাদের উপর এবং তাদের উপর যাদের তোমরা আল্লাহর পাশাপাশি ইবাদত কর। তারপরও কি তোমরা বুঝবে না?” [সূরা আম্বিয়া ২১ : ৬৭]
জনসাধারণ যদি আল্লাহর শরীয়ত গণতন্ত্রের মাধ্যমে বা ক্ষমতাসীন মুশরিকদের আইনসভার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তবে কখনও তারা তা করতে সক্ষম হবে না যদি ত্বাগুতেরা (রাজা, প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট) অনুমতি না দেয়, যদি তাদের সংবিধান অনুমোদন না দেয় - কারণ এটিই গণতন্ত্রের ‘পবিত্র’ গ্রন্থ। অথবা বলা যায় যে, এটা গণতন্ত্রের বাইবেল বা তাওরাত যা তারা নিজেদের খারাপ ইচ্ছা ও খেয়াল-খুশি দ্বারা কুলষিত করেছে।
তৃতীয়ত : গণতন্ত্র হচ্ছে সেকিউলারিজম-এর নিকৃষ্ট ফল এবং এর অবৈধ সন্তান, কারণ সেকিউলারিজম হচ্ছে একটি ভ্রান্ত মতবাদ যার উদ্দেশ্য হচ্ছে শাসন-কতৃত্ব থেকে ধর্মকে আলাদা করা। গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণ বা ত্বাগুতের শাসন; আল্লাহর শাসন নয় কারণ গণতন্ত্রে আল্লাহর আদেশ কোন বিবেচ্য বিষয়ই নয়, যতক্ষণ না তা তাদের সংবিধানের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়। এভাবে অধিকাংশ জনগণ যা চায়, অধিকন্তু — তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এই সমস্ত ত্বাগুতেরা যা চায় তা তাদের সংবিধানের অংশ হয়ে যায়।
সুতরাং সমস্ত জনগণ যদি একসাথে হয়ে ত্বাগুতদের ও গণতন্ত্রের উপাস্যদের বলেঃ “আমরা আল্লাহর শাসন চাই,আমরা কোন মানুষকে, সাংসদদেরকে এবং শাসকদেরকে বিধানদাতা হতে দিব না। আমরা মুরতাদ, ব্যভিচারী, চোর,মদ্যপায়ীদের ক্ষেত্রে আল্লাহর শাস্তি জারি করতে চাই। আমরা মহিলাদেরকে হিজাব পরতে বাধ্য করতে চাই। আমরা পুরুষ ও মহিলাদেরকে তাদের সতীত্ব রক্ষা করতে বাধ্য করতে চাই। আমরা অনৈতিক অশ্লীলতা,ব্যভিচার, নীতি বহির্ভূত কাজ, সমকামিতা এবং এই ধরনের যত খারাপ কাজ আছে তা প্রতিরোধ করতে চাই”।
সে মুহূর্তে, তাদের উপাস্যরা বলবে : “এটা গণতান্ত্রিক জীবন ব্যবস্থার ও ‘ব্যক্তি স্বাধীনত’ নীতির বিরোধী!
সুতরাং গণতন্ত্রের স্বাধীনতা হচ্ছে : আল্লাহর মনোনীত দ্বীন ও বিধান থেকে মুক্ত হওয়া এবং তাঁর বেধে দেয়া সীমালংঙ্ঘন করা।
গণতন্ত্রে নৈতিক বিধানগুলো বিধিবদ্ধ করা হয় না এবং প্রত্যেকে যারা তাদের সাথে একমত হবে না অথবা তাদের দেয়া সীমা রেখা মানবে না, তাহলে তাদের শাস্তি দেয়া হবে।
একারণেই, গণতন্ত্র এমন একটা দ্বীন বা জীবন ব্যবস্থা যা আল্লাহর দেয়া জীবন ব্যবস্থা থেকে আলাদা। এটা হচ্ছে ত্বাগুতের শাসন, আল্লাহর শাসন নয়। এটা হচ্ছে অন্য উপাস্যদের আইন; আল্লাহর আইন নয়, যিনি একক এবং সকল কিছুর নিয়ন্ত্রক। যে কেউ গণতন্ত্রকে গ্রহণ করল, সে এমন আইনের শাসন মেনে নিলো যা মানব-রচিত সংবিধানের অনুসারে লেখা এবং সে সর্বশক্তিমান আল্লাহর দেয়া শাসন ব্যবস্থার চেয়ে ঐ শাসন ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিলো।
সুতরাং, কোন ব্যক্তি আইন প্রণয়ন করুক বা নাই করুক, বহুঈশ্বরবাদীয় নির্বাচনে জয়ী হোক বা নাই হোক, কেউ যদি মুশরিকদের সাথে গণতন্ত্রের নীতির বিষয়ে, আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে, বিচার ফয়সালা করার ক্ষেত্রে তাদের সাথে একমত হয় এবং আল্লাহর কিতাব, বিধান ও কর্তৃত্বের চেয়ে তাদের কিতাব, বিধান ও কর্তৃত্বকে বেশি গুরুত্ব দেয়, তাহলে সে নিজে একজন অবিশ্বাসী রূপে পরিগণিত হবে। একারণেই, গণতন্ত্র অবশ্যই একটি স্পষ্ট ভ্রান্ত পথ; একটি শিরকী ব্যবস্থা।
লেখকঃ আবু মুহাম্মদ আসিম আল মাকদিসী
বইঃ গণতন্ত্র একটি জীবন ব্যবস্থা (দ্বীন) !
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪৩
ফাইল সাইজঃ ১.২৬ মেগাবাইট মাত্র
বিস্তারিত পড়তে ডাউনলোড করুন,
http://www.mediafire.com/?1lh15lr4jgsy1p1